বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়িকাদের তালিকায় একসময় শীর্ষে ছিলেন শাবনূর। একমাত্র ছেলে আইজান নেহানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সম্প্রতি তিনি অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে গেছেন। সেখানে এই নায়িকা তার ছেলের স্কুলে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করে মাস তিনেক পর দেশে ফিরবেন বলে জানা গেছে।
কবিরাজ : তপন দেব । এখানে আয়ুর্বেদিক ঔষধের দ্বারা নারী- পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – খিলগাঁও, ঢাকাঃ। মোবাইল : ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )
ছেলেকে একজন ভালো মানুষ হিসেবেই গড়তে চান শাবনূর। তিনি চান তার ছেলে আদর্শবান মানুষ হিসেবে গড়ে উঠুক। সে জন্যই তিনি এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন বলে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার আগে প্রিয়.কমের সঙ্গে আলাপকালে বলেছেন এ নায়িকা। এখন সেখানে শাবনূরের কীভাবে সময় কাটছে তারই কিছু স্থিরচিত্র পাওয়া গেছে চলচ্চিত্র অভিনেতা শ্রাবণ খানের ফেসবুকের ওয়ালে। গত ২৪ মার্চ সিডনিতে একটি ঘরোয়া পিকনিকের আয়োজন করেছিলেন শাবনূর। আর সেখানেই গিয়েছিলেন এই অভিনেতা।




অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী অনিক মাহমুদকে ২০১১ সালে বিয়ে করেন শাবনূর। বিয়ের দুই বছরের মাথায় স্বামীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস শুরু করেন তিনি। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর তাদের ছেলের জন্ম হয়। শাবনূর সবশেষ মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের ‘এতো প্রেম এতো মায়া’ নামে একটি চলচ্চিত্রে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। যদিও এখনো ছবিটির শুটিং শেষ হয়নি। নব্বই দশকের নায়িকা শাবনূর সবশেষ ক্যামেরার সামনে এসেছিলেন ২০১৫ সালে। ছবির নাম ‘পাগল মানুষ’।




এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন নবাগত শাহেদ চৌধুরী। প্রখ্যাত পরিচালক এহতেশামের ‘চাঁদনী রাতে’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে বড়পর্দায় অভিষেক হয় শাবনূরের। ২০০৫ সালে মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের ‘দুই নয়নের আলো’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি।
